• শীর্ষ সংবাদ
  • আখাউড়ায় জমি বিক্রি করে বিপাকে ভাতিজা, চাচার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন!

আখাউড়ায় জমি বিক্রি করে বিপাকে ভাতিজা, চাচার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন!

১২:১৭ অপরাহ্ণ , ১১ অক্টোবর ২০২৬
আখাউড়ায় জমি বিক্রি করে বিপাকে ভাতিজা, চাচার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন!

আখাউড়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিক্রি করা জমি ক্রেতাকে বুঝিয়ে দিতে বাধা, হামলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলে আপন চাচাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভাতিজা মুন্না মিয়া-মোমেন মিয়া । এ ঘটনায় নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার দুপুরে উপজেলার আইড়ল গ্রামে নানার বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মুন্না মিয়া এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে মুন্না মিয়া জানান, ২০২২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তাঁর বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তার আপন চাচা ইকবাল মিয়া (৫০), ভুট্টু মিয়া (৪০) ও শাহীন মিয়া (৪৫) তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করছেন।

মুন্না মিয়ার দাবি, সম্প্রতি মোগড়া ইউনিয়নের গঙ্গানগর মৌজায় তাঁদের মালিকানাধীন ২.৬৫ শতক জমি জাঙ্গাল গ্রামের দুলাল মিয়ার কাছে বিক্রি করেন তাঁরা। গত ৩০ আগস্ট ক্রেতাকে জমি বুঝিয়ে দিতে গেলে চাচাদের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয় এবং হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তিনি ও জমির ক্রেতা দুলাল মিয়া আহত হন বলে অভিযোগ করেন মুন্না।

তিনি আরও জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে তার চাচারা। এ ঘটনায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর আখাউড়া থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো তাঁরা নিরাপত্তাহীন নানার বাড়িতে অবস্থান করছে।

সংবাদ সম্মেলনে মুন্না মিয়া বলেন, জমি বিক্রির পরও ক্রেতাকে তা বুঝিয়ে দিতে না পারায় তাঁরা সমস্যায় পড়েছেন। ভবিষ্যতে জমি বুঝিয়ে দিতে গেলে পরিবারের সদস্যদের ওপর আবারও হামলার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া স্বাভাবিকভাবে সম্পত্তির অধিকার ভোগ করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে জমির ক্রেতা দুলাল মিয়াও অভিযোগ করেন, জমি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হওয়ার পরও তিনি এর দখল নিতে পারছেন না। এ বিষয়ে ন্যায়বিচার ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এ বিষয়ে আখাউড়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি তদন্ত করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য বিবাদীকে থানায় ডাকা হলেও তিনি উপস্থিত হননি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মুন্না মিয়া প্রশাসনের কাছে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইন অনুযায়ী জমির দখল বুঝিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আহ্বান জানান।

মন্তব্য লিখুন

আরও খবর